বিনোদন ডেস্ক
০১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৪:৫৪ পিএম
সাধারণ সিনেমার ব্যবসায়িক হিসাব-নিকাশ জানা যায় ‘বক্স অফিস’ থেকে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে বক্স অফিস থাকলেও, ঢালিউডে নেই। সেকারণে সিনেমার ব্যবসায়িক সঠিক তথ্য জানা যায় না। তবে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট অনেকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঢালিউডে সর্বোচ্চ আয় করা ৫ চলচ্চিত্রের তালিকা প্রস্তুত করা হলো— বেদের মেয়ে জোসনা:
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাস সৃষ্টি করা চলচ্চিত্র এটি। মতিউর রহমান পানু প্রযোজিত সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন তোজাম্মেল হক বকুল। ২০ লাখ টাকা বাজেটের ছবিটি আয় করেছিল ২৫ কোটি টাকা। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮৯ সালে। ছবিতে অভিনয় করেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন, অঞ্জু ঘোষ, মিঠুন, ফারজানা ববি, নাসির খান, সাইফুদ্দিন, প্রবীর মিত্র, শওকত আকবর, রওশন জামিল, দিলদার প্রমুখ।
বাংলাদেশের সাফল্য দেখে ছবিটি তৈরি করা হয় ভারতের কলকাতায়। ওই ছবিতে নায়িকা ছিলেন অঞ্জু ঘোষ, তবে বদলে যান নায়ক। ইলিয়াস কাঞ্চনের পরিবর্তে কলকাতার ছবিতে অভিনয় করেন চিরঞ্জিত। তার অভিনয়জীবনে এই ছবি একটি মাইলস্টোন। সেখানেও ছবিটি দারুণ ব্যবসাসফল হয়।
স্বপ্নের ঠিকানা:
নব্বই দশকে সালমান শাহ-শাবনুর জুটির এই সিনেমাটি প্রায় ১৯ কোটি টাকা আয় করেছিল। এই ছবির মাধ্যমে সালমান মূলত রোমান্টিক নায়ক হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ১৯৯৫ সালের ১১ মে সিনেমাটি ঢাকার বাইরে মুক্তি পায়। পরে দর্শক চাহিদার কারণে ঢাকায় মুক্তি দেওয়া হয়। সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন এম এ খালেক।
সত্যের মৃত্যু নেই:
ট্র্যাজিক গল্পের সিনেমা এটি। শাবানা, আলমগীর ও সালমান শাহর অসাধারণ অভিনয়ে দর্শকের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে দেয় সিনেমাটি। ১৯৯৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সিনেমাটি মুক্তি পায়। ওই সময় সিনেমাটি আয় করেছিল ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ছবির পরিচালক ছিলেন ছোটকু আহমেদ।
আম্মাজান:
মান্না অভিনীত ব্যবসাসফল সিনেমা ছিল এটি। এতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম। মা-ছেলের সম্পর্কের প্রেক্ষাপট নিয়ে অ্যাকশন ঘরানার সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন কাজী হায়াৎ। এটি তখন আয় করে ১১ কোটি টাকা।
শান্ত কেন মাস্তান:
অ্যাকশন ঘরানার এই সিনেমাটির পরিচালক ছিলেন মনতাজুর রহমান আকবর। ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায় সিনেমাটি। আয় করে ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। মান্না, নায়ক রাজ রাজ্জাক ও হুমায়ূন ফরীদি অভিনয় করেছিলেন সিনেমাটিতে।
আরএসও