তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
০১ অক্টোবর ২০২৩, ০৪:১১ পিএম
২০২৩ সালের ১৪ অক্টোবর শনিবার বিরল সূর্যগ্রহণ দেখবে বিশ্ববাসী। এটা বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ।
অক্টোবর মাসের সূর্যগ্রহণকে জ্যোতিষশাস্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। কেননা, এই সূর্যগ্রহণকে বলা হচ্ছে ‘রিং অব ফায়ার’। যদিও এই গ্রহণ বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না।
অক্টোবরের সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে লাতিন আমেরিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মাইক্রোনেশিয়া, ফিজি, জাপান, কানাডা, ব্রাজিল, মেক্সিকো, ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, জ্যামাইকা, ত্রিনিদাদ এবং টোবাগো, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলার মতো বিশ্বের অন্যান্য অংশে দেখা যাবে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে যে সূর্যগ্রহণ ঘটবে তা পৃথিবীর পাশাপাশি মানুষের উপর গভীর প্রভাব ফেলবে। এই সূর্যগ্রহণ বৈজ্ঞানিক এবং জ্যোতিষী— উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সূর্যগ্রহণ হবে ১৪ অক্টোবর নয়টা চার মিনিটে। চলতি বছরের দ্বিতীয় সূর্যগ্রহণটি অমাবস্যার শনিবারে পড়ছে।
সূর্যগ্রহণ নিয়ে মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই। মহাজাগতিক এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে চান অনেকেই। এ নিয়ে রয়েছে অসংখ্য কুসংস্কারও। কেউ কেই ভাবেন গ্রহণ মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলে। আসলে কিন্তু তা নয়, সূর্যগ্রহণ বৈজ্ঞানিক ঘটনা। প্রকৃতির নিয়মেই সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ হয়।
সূর্যগ্রহণ কত প্রকার?
সাধারণত চার ধরনের সূর্যগ্রহণ হয়। এগুলো হলো- মোট, আংশিক, সংকর এবং বৃত্তাকার। এগুলোকে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ, হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ এবং আশিংক সূর্যগ্রহণও বলা হয়।
মানুষ যে ধরনের গ্রহণ দেখতে পায় তা নির্ভর করে চাঁদ কীভাবে পৃথিবী এবং সূর্যের সাথে সারিবদ্ধ হয় এবং চাঁদ পৃথিবী থেকে কত দূরে।
সূর্যে কেন গ্রহণ হয়?
পৃথিবীকে কেন্দ্র করে চাঁদ পরিভ্রমণের সময় একপর্যায়ে পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে অবস্থান করে। এসময় চাঁদ ছায়া দিয়ে পৃথিবীকে ঢেকে ফেলে। সেই সঙ্গে তারা থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে। সূর্যকে ঢেকে ফেলার উপর নির্ভর করে সাধারণত তিন ধরনের সূর্যগ্রহণ দেখা যায়।
এজেড