বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

ঢাকা মেইল

মানিকগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের আট সদস্য গ্রেফতার

জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৪:৪৬ পিএম

শেয়ার করুন:

মানিকগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের আট সদস্য গ্রেফতার
মানিকগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের আট সদস্য। ছবি : ঢাকা মেইল

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ডাকাতির মামলায় আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রিমান্ড আবেদন করে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপার মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।


বিজ্ঞাপন


গ্রেফতাররা হলেন ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিথা গ্রামের মৃত আ. ওহাবের ছেলে মিন্টু মিয়া (৬০), মধুডাঙ্গা গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া (২৯), কুনি কুশরা গ্রামের রাব্বি মিয়ার ছেলে বিশু মিয়া (৩৫), চরপাড়া গ্রামের মঞ্জু মোল্লার ছেলে আশরাফুল মোল্লা (২০), গাংগুটিয়া গ্রামের সানাউল্লাহর ছেলে আ. কাদের স্বপন (৩৫), গাজীপুরের গোসাত্রা উত্তর কাঞ্চনপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে তাইজুদ্দিন (৬০), আটাবর গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩৭) ও গাইবান্ধার ধুসরিয়া গোপালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ফকিরের ছেলে মো. বাদল হোসেন (২৮)।
 
পুলিশ সুপার জানান, গত ২৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১টার দিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে নতুন ইরতা গ্রামের নূর উদ্দিন ও তার প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেন। ডাকাতরা নুর উদ্দিনের বাড়ীর দরজা ভেঙে তার স্ত্রী, ছেলে ও ভাগিনাকে হাত ও মুখ বেঁধে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও ৪ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার লুট করেন। পরে তারা নুর উদ্দিনের প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে তার স্ত্রীকে মেরে পাঁচ ভরি ৬ আনা স্বর্ণালংকার ও ২০ ভরি ওজনের রুপার অলংকার লুট করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পরদিন সকালেই ভুক্তভোগীরা সিংগাইর থানায় অভিযোগ করেন।

পুলিশ সুপার আরো জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঘটনার ১২ দিনের মধ্যেই ক্লুলেস ডাকাতি মামলার সঙ্গে জড়িত আসামিদের ঢাকার ধামরাই, আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

আসামিদের কাছ থেকে এক ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ পাঁচ হাজার টাকা ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত চাপাতি, ছুরি ও চার টুকরা লোহার রড জব্দ করা হয়। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

এইচই


বিজ্ঞাপন


মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ডাকাতির মামলায় আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রিমান্ড আবেদন করে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপার মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

গ্রেফতাররা হলেন ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিথা গ্রামের মৃত আ. ওহাবের ছেলে মিন্টু মিয়া (৬০), মধুডাঙ্গা গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া (২৯), কুনি কুশরা গ্রামের রাব্বি মিয়ার ছেলে বিশু মিয়া (৩৫), চরপাড়া গ্রামের মঞ্জু মোল্লার ছেলে আশরাফুল মোল্লা (২০), গাংগুটিয়া গ্রামের সানাউল্লাহর ছেলে আ. কাদের স্বপন (৩৫), গাজীপুরের গোসাত্রা উত্তর কাঞ্চনপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে তাইজুদ্দিন (৬০), আটাবর গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩৭) ও গাইবান্ধার ধুসরিয়া গোপালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ফকিরের ছেলে মো. বাদল হোসেন (২৮)।
 
পুলিশ সুপার জানান, গত ২৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১টার দিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে নতুন ইরতা গ্রামের নূর উদ্দিন ও তার প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেন। ডাকাতরা নুর উদ্দিনের বাড়ীর দরজা ভেঙে তার স্ত্রী, ছেলে ও ভাগিনাকে হাত ও মুখ বেঁধে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও ৪ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার লুট করেন। পরে তারা নুর উদ্দিনের প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে তার স্ত্রীকে মেরে পাঁচ ভরি ৬ আনা স্বর্ণালংকার ও ২০ ভরি ওজনের রুপার অলংকার লুট করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পরদিন সকালেই ভুক্তভোগীরা সিংগাইর থানায় অভিযোগ করেন।

পুলিশ সুপার আরো জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঘটনার ১২ দিনের মধ্যেই ক্লুলেস ডাকাতি মামলার সঙ্গে জড়িত আসামিদের ঢাকার ধামরাই, আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

আসামিদের কাছ থেকে এক ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ পাঁচ হাজার টাকা ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত চাপাতি, ছুরি ও চার টুকরা লোহার রড জব্দ করা হয়। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

এইচই

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ডাকাতির মামলায় আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রিমান্ড আবেদন করে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপার মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

গ্রেফতাররা হলেন ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিথা গ্রামের মৃত আ. ওহাবের ছেলে মিন্টু মিয়া (৬০), মধুডাঙ্গা গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া (২৯), কুনি কুশরা গ্রামের রাব্বি মিয়ার ছেলে বিশু মিয়া (৩৫), চরপাড়া গ্রামের মঞ্জু মোল্লার ছেলে আশরাফুল মোল্লা (২০), গাংগুটিয়া গ্রামের সানাউল্লাহর ছেলে আ. কাদের স্বপন (৩৫), গাজীপুরের গোসাত্রা উত্তর কাঞ্চনপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে তাইজুদ্দিন (৬০), আটাবর গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩৭) ও গাইবান্ধার ধুসরিয়া গোপালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ফকিরের ছেলে মো. বাদল হোসেন (২৮)।
 
পুলিশ সুপার জানান, গত ২৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১টার দিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে নতুন ইরতা গ্রামের নূর উদ্দিন ও তার প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেন। ডাকাতরা নুর উদ্দিনের বাড়ীর দরজা ভেঙে তার স্ত্রী, ছেলে ও ভাগিনাকে হাত ও মুখ বেঁধে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও ৪ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার লুট করেন। পরে তারা নুর উদ্দিনের প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে তার স্ত্রীকে মেরে পাঁচ ভরি ৬ আনা স্বর্ণালংকার ও ২০ ভরি ওজনের রুপার অলংকার লুট করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পরদিন সকালেই ভুক্তভোগীরা সিংগাইর থানায় অভিযোগ করেন।

পুলিশ সুপার আরো জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঘটনার ১২ দিনের মধ্যেই ক্লুলেস ডাকাতি মামলার সঙ্গে জড়িত আসামিদের ঢাকার ধামরাই, আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

আসামিদের কাছ থেকে এক ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ পাঁচ হাজার টাকা ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত চাপাতি, ছুরি ও চার টুকরা লোহার রড জব্দ করা হয়। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

এইচই

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ডাকাতির মামলায় আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রিমান্ড আবেদন করে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপার মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

গ্রেফতাররা হলেন ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিথা গ্রামের মৃত আ. ওহাবের ছেলে মিন্টু মিয়া (৬০), মধুডাঙ্গা গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া (২৯), কুনি কুশরা গ্রামের রাব্বি মিয়ার ছেলে বিশু মিয়া (৩৫), চরপাড়া গ্রামের মঞ্জু মোল্লার ছেলে আশরাফুল মোল্লা (২০), গাংগুটিয়া গ্রামের সানাউল্লাহর ছেলে আ. কাদের স্বপন (৩৫), গাজীপুরের গোসাত্রা উত্তর কাঞ্চনপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে তাইজুদ্দিন (৬০), আটাবর গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩৭) ও গাইবান্ধার ধুসরিয়া গোপালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ফকিরের ছেলে মো. বাদল হোসেন (২৮)।
 
পুলিশ সুপার জানান, গত ২৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১টার দিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে নতুন ইরতা গ্রামের নূর উদ্দিন ও তার প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেন। ডাকাতরা নুর উদ্দিনের বাড়ীর দরজা ভেঙে তার স্ত্রী, ছেলে ও ভাগিনাকে হাত ও মুখ বেঁধে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও ৪ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার লুট করেন। পরে তারা নুর উদ্দিনের প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে তার স্ত্রীকে মেরে পাঁচ ভরি ৬ আনা স্বর্ণালংকার ও ২০ ভরি ওজনের রুপার অলংকার লুট করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পরদিন সকালেই ভুক্তভোগীরা সিংগাইর থানায় অভিযোগ করেন।

পুলিশ সুপার আরো জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঘটনার ১২ দিনের মধ্যেই ক্লুলেস ডাকাতি মামলার সঙ্গে জড়িত আসামিদের ঢাকার ধামরাই, আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

আসামিদের কাছ থেকে এক ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ পাঁচ হাজার টাকা ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত চাপাতি, ছুরি ও চার টুকরা লোহার রড জব্দ করা হয়। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

এইচই

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ডাকাতির মামলায় আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রিমান্ড আবেদন করে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপার মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

গ্রেফতাররা হলেন ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিথা গ্রামের মৃত আ. ওহাবের ছেলে মিন্টু মিয়া (৬০), মধুডাঙ্গা গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া (২৯), কুনি কুশরা গ্রামের রাব্বি মিয়ার ছেলে বিশু মিয়া (৩৫), চরপাড়া গ্রামের মঞ্জু মোল্লার ছেলে আশরাফুল মোল্লা (২০), গাংগুটিয়া গ্রামের সানাউল্লাহর ছেলে আ. কাদের স্বপন (৩৫), গাজীপুরের গোসাত্রা উত্তর কাঞ্চনপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে তাইজুদ্দিন (৬০), আটাবর গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩৭) ও গাইবান্ধার ধুসরিয়া গোপালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ফকিরের ছেলে মো. বাদল হোসেন (২৮)।
 
পুলিশ সুপার জানান, গত ২৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১টার দিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে নতুন ইরতা গ্রামের নূর উদ্দিন ও তার প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেন। ডাকাতরা নুর উদ্দিনের বাড়ীর দরজা ভেঙে তার স্ত্রী, ছেলে ও ভাগিনাকে হাত ও মুখ বেঁধে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও ৪ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার লুট করেন। পরে তারা নুর উদ্দিনের প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে তার স্ত্রীকে মেরে পাঁচ ভরি ৬ আনা স্বর্ণালংকার ও ২০ ভরি ওজনের রুপার অলংকার লুট করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পরদিন সকালেই ভুক্তভোগীরা সিংগাইর থানায় অভিযোগ করেন।

পুলিশ সুপার আরো জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঘটনার ১২ দিনের মধ্যেই ক্লুলেস ডাকাতি মামলার সঙ্গে জড়িত আসামিদের ঢাকার ধামরাই, আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

আসামিদের কাছ থেকে এক ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ পাঁচ হাজার টাকা ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত চাপাতি, ছুরি ও চার টুকরা লোহার রড জব্দ করা হয়। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

এইচই

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ডাকাতির মামলায় আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রিমান্ড আবেদন করে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপার মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

গ্রেফতাররা হলেন ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিথা গ্রামের মৃত আ. ওহাবের ছেলে মিন্টু মিয়া (৬০), মধুডাঙ্গা গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া (২৯), কুনি কুশরা গ্রামের রাব্বি মিয়ার ছেলে বিশু মিয়া (৩৫), চরপাড়া গ্রামের মঞ্জু মোল্লার ছেলে আশরাফুল মোল্লা (২০), গাংগুটিয়া গ্রামের সানাউল্লাহর ছেলে আ. কাদের স্বপন (৩৫), গাজীপুরের গোসাত্রা উত্তর কাঞ্চনপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে তাইজুদ্দিন (৬০), আটাবর গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩৭) ও গাইবান্ধার ধুসরিয়া গোপালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ফকিরের ছেলে মো. বাদল হোসেন (২৮)।
 
পুলিশ সুপার জানান, গত ২৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১টার দিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে নতুন ইরতা গ্রামের নূর উদ্দিন ও তার প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেন। ডাকাতরা নুর উদ্দিনের বাড়ীর দরজা ভেঙে তার স্ত্রী, ছেলে ও ভাগিনাকে হাত ও মুখ বেঁধে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও ৪ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার লুট করেন। পরে তারা নুর উদ্দিনের প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে তার স্ত্রীকে মেরে পাঁচ ভরি ৬ আনা স্বর্ণালংকার ও ২০ ভরি ওজনের রুপার অলংকার লুট করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পরদিন সকালেই ভুক্তভোগীরা সিংগাইর থানায় অভিযোগ করেন।

পুলিশ সুপার আরো জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঘটনার ১২ দিনের মধ্যেই ক্লুলেস ডাকাতি মামলার সঙ্গে জড়িত আসামিদের ঢাকার ধামরাই, আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

আসামিদের কাছ থেকে এক ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ পাঁচ হাজার টাকা ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত চাপাতি, ছুরি ও চার টুকরা লোহার রড জব্দ করা হয়। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

এইচই

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ডাকাতির মামলায় আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রিমান্ড আবেদন করে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপার মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

গ্রেফতাররা হলেন ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিথা গ্রামের মৃত আ. ওহাবের ছেলে মিন্টু মিয়া (৬০), মধুডাঙ্গা গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া (২৯), কুনি কুশরা গ্রামের রাব্বি মিয়ার ছেলে বিশু মিয়া (৩৫), চরপাড়া গ্রামের মঞ্জু মোল্লার ছেলে আশরাফুল মোল্লা (২০), গাংগুটিয়া গ্রামের সানাউল্লাহর ছেলে আ. কাদের স্বপন (৩৫), গাজীপুরের গোসাত্রা উত্তর কাঞ্চনপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে তাইজুদ্দিন (৬০), আটাবর গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩৭) ও গাইবান্ধার ধুসরিয়া গোপালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ফকিরের ছেলে মো. বাদল হোসেন (২৮)।
 
পুলিশ সুপার জানান, গত ২৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১টার দিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে নতুন ইরতা গ্রামের নূর উদ্দিন ও তার প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেন। ডাকাতরা নুর উদ্দিনের বাড়ীর দরজা ভেঙে তার স্ত্রী, ছেলে ও ভাগিনাকে হাত ও মুখ বেঁধে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও ৪ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার লুট করেন। পরে তারা নুর উদ্দিনের প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে তার স্ত্রীকে মেরে পাঁচ ভরি ৬ আনা স্বর্ণালংকার ও ২০ ভরি ওজনের রুপার অলংকার লুট করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পরদিন সকালেই ভুক্তভোগীরা সিংগাইর থানায় অভিযোগ করেন।

পুলিশ সুপার আরো জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঘটনার ১২ দিনের মধ্যেই ক্লুলেস ডাকাতি মামলার সঙ্গে জড়িত আসামিদের ঢাকার ধামরাই, আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

আসামিদের কাছ থেকে এক ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ পাঁচ হাজার টাকা ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত চাপাতি, ছুরি ও চার টুকরা লোহার রড জব্দ করা হয়। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

এইচই

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ডাকাতির মামলায় আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রিমান্ড আবেদন করে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপার মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

গ্রেফতাররা হলেন ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিথা গ্রামের মৃত আ. ওহাবের ছেলে মিন্টু মিয়া (৬০), মধুডাঙ্গা গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া (২৯), কুনি কুশরা গ্রামের রাব্বি মিয়ার ছেলে বিশু মিয়া (৩৫), চরপাড়া গ্রামের মঞ্জু মোল্লার ছেলে আশরাফুল মোল্লা (২০), গাংগুটিয়া গ্রামের সানাউল্লাহর ছেলে আ. কাদের স্বপন (৩৫), গাজীপুরের গোসাত্রা উত্তর কাঞ্চনপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে তাইজুদ্দিন (৬০), আটাবর গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩৭) ও গাইবান্ধার ধুসরিয়া গোপালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ফকিরের ছেলে মো. বাদল হোসেন (২৮)।
 
পুলিশ সুপার জানান, গত ২৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১টার দিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে নতুন ইরতা গ্রামের নূর উদ্দিন ও তার প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেন। ডাকাতরা নুর উদ্দিনের বাড়ীর দরজা ভেঙে তার স্ত্রী, ছেলে ও ভাগিনাকে হাত ও মুখ বেঁধে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও ৪ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার লুট করেন। পরে তারা নুর উদ্দিনের প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের বাড়িতে তার স্ত্রীকে মেরে পাঁচ ভরি ৬ আনা স্বর্ণালংকার ও ২০ ভরি ওজনের রুপার অলংকার লুট করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পরদিন সকালেই ভুক্তভোগীরা সিংগাইর থানায় অভিযোগ করেন।

পুলিশ সুপার আরো জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঘটনার ১২ দিনের মধ্যেই ক্লুলেস ডাকাতি মামলার সঙ্গে জড়িত আসামিদের ঢাকার ধামরাই, আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

আসামিদের কাছ থেকে এক ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ পাঁচ হাজার টাকা ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত চাপাতি, ছুরি ও চার টুকরা লোহার রড জব্দ করা হয়। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

এইচই

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর