বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

ঢাকা মেইল

পাহাড়ের বুকে দৃষ্টিনন্দন সড়ক

জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১১:৫০ এএম

শেয়ার করুন:

পাহাড়ের বুকে দৃষ্টিনন্দন সড়ক
খাগড়াছড়ির নতুন সড়ক | ছবি : ঢাকা মেইল

 

খোলা আকাশের নিচে এক পাহাড় ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে আরেক পাহাড়। নীল আকাশ আর গাছগাছালির সবুজে মনোমুগ্ধকর অপরূপ দৃশ্য। দুই পাশে পাহাড়। মাঝখানে কখনো আঁকাবাঁকা, কখনো উঁচু-নিচু সড়ক বয়ে গেছে অন্য সড়কের কোল ঘেঁষে। তৈরি হয়েছে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যাওয়ার সংযোগ। লোকজন দ্রুত চলাচল করতে পারবে। ছয় বছর আগে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি সড়কে কিছু দূর পর পর নদী ও ছড়ার ওপর বেইলি ব্রিজ দেখা গেলেও এখন আর সেই ব্র্রিজগুলো চোখে পড়ে না। 


বিজ্ঞাপন


জেলায় বেইলি ব্রিজগুলো নির্মাণ করা হয় ৮০-র দশকে। একসময় ছড়া ও নদীর ওপর এ ব্র্রিজগুলো ভেঙে পড়তো। প্রায় দুর্ঘটনা ঘটতো। দুর্ঘটনার কারণে অনেকবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার ঘটনাও ঘটেছে। চালক ও যাত্রীরা ভয়ে থাকতো। 

khagrachori

প্রায় ত্রিশ বছর ব্যবহারের পর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলো ভেঙে ছড়া ও নদীর ওপর নতুন সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয় খাগড়াছড়ি জেলা সড়ক বিভাগ। ২০১৫ সালে শুরু করে ২০২১ সালে এসব নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। 

৫৬টি সেতু নির্মাণের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। বদলে যাচ্ছে খাগড়াছড়ি জেলার উন্নয়ন। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে সময় কম লাগছে। যাতায়াতে আরামদায়ক হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে অগ্রগতি হয়েছে। 


বিজ্ঞাপন


চাঁদের গাড়িচালক সুমন নাথ বলেন, ‘নতুন নতুন পাকা সেতু তৈরি হওয়ায় আমরা ভীষণ উপকৃত হয়েছি। ভালো করে যানবাহন চালাতে পারছি।’ 

khagrachori
  
ট্রাকচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ পাকা সেতু তৈরি করে দেওয়াতে আমরা নিরাপদে গাড়ি চালাচ্ছি। দুই-একটি বেইলি ব্র্রিজ আছে দুর্বল। এগুলো ভেঙে পাকা ব্রিজ নির্মাণ করে দিলে পাহাড়ি সড়কে সকল চালক নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারবে।’ 

জেলার সড়ক পরিবহন চালক সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মকর্তা মো. মমিনুল হক বলেন, ‘গত দুই-এক বছর আগেও বেইলি ব্রিজের ওপর দিয়ে গাড়ি পার হতে ভয় লাগতো চালকদের। ব্রিজে গাড়ি উঠলে বিকট শব্দ হতো। এই সমস্যাগুলো এখন আর নেই। চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাচ্ছে।’

সংস্থাটির সহ-সভাপতি মনছুর আলম বলেন, ‘এখনও দীঘিনালা সড়কে, মহালছড়ি-রাঙামাটি সড়কে বেইলি ব্রিজ আছে। এইগুলো আমাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অতি দ্রুত পাকা  নির্মাণ করে দিলে চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাতে পারবে।’
     
খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, ‘জেলায় একসময় অনেকগুলো বেইলি ব্রিজ ছিল। জেলার বিভিন্ন সড়কে পিসিঘাট সেতুু ও আরসিসি বক্স কালভার্ট  নির্মাণ প্রকল্প কাজ করা হয়েছে। এখানে প্রায় ৫৬টি বেইলি ব্রিজের পরিবর্তে আরসিসি আর পিসিঘাটার সেতু হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার ফলে জেলার পরিবহন ব্যবস্থা আমুল পরিবর্তন হয়েছে। স্থানীয় জনগণ এর সুফল পাচ্ছে।’ 

এইচই/এজে

 

খোলা আকাশের নিচে এক পাহাড় ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে আরেক পাহাড়। নীল আকাশ আর গাছগাছালির সবুজে মনোমুগ্ধকর অপরূপ দৃশ্য। দুই পাশে পাহাড়। মাঝখানে কখনো আঁকাবাঁকা, কখনো উঁচু-নিচু সড়ক বয়ে গেছে অন্য সড়কের কোল ঘেঁষে। তৈরি হয়েছে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যাওয়ার সংযোগ। লোকজন দ্রুত চলাচল করতে পারবে। ছয় বছর আগে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি সড়কে কিছু দূর পর পর নদী ও ছড়ার ওপর বেইলি ব্রিজ দেখা গেলেও এখন আর সেই ব্র্রিজগুলো চোখে পড়ে না। 

জেলায় বেইলি ব্রিজগুলো নির্মাণ করা হয় ৮০-র দশকে। একসময় ছড়া ও নদীর ওপর এ ব্র্রিজগুলো ভেঙে পড়তো। প্রায় দুর্ঘটনা ঘটতো। দুর্ঘটনার কারণে অনেকবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার ঘটনাও ঘটেছে। চালক ও যাত্রীরা ভয়ে থাকতো। 

khagrachori

প্রায় ত্রিশ বছর ব্যবহারের পর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলো ভেঙে ছড়া ও নদীর ওপর নতুন সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয় খাগড়াছড়ি জেলা সড়ক বিভাগ। ২০১৫ সালে শুরু করে ২০২১ সালে এসব নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। 

৫৬টি সেতু নির্মাণের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। বদলে যাচ্ছে খাগড়াছড়ি জেলার উন্নয়ন। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে সময় কম লাগছে। যাতায়াতে আরামদায়ক হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে অগ্রগতি হয়েছে। 

চাঁদের গাড়িচালক সুমন নাথ বলেন, ‘নতুন নতুন পাকা সেতু তৈরি হওয়ায় আমরা ভীষণ উপকৃত হয়েছি। ভালো করে যানবাহন চালাতে পারছি।’ 

khagrachori
  
ট্রাকচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ পাকা সেতু তৈরি করে দেওয়াতে আমরা নিরাপদে গাড়ি চালাচ্ছি। দুই-একটি বেইলি ব্র্রিজ আছে দুর্বল। এগুলো ভেঙে পাকা ব্রিজ নির্মাণ করে দিলে পাহাড়ি সড়কে সকল চালক নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারবে।’ 

জেলার সড়ক পরিবহন চালক সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মকর্তা মো. মমিনুল হক বলেন, ‘গত দুই-এক বছর আগেও বেইলি ব্রিজের ওপর দিয়ে গাড়ি পার হতে ভয় লাগতো চালকদের। ব্রিজে গাড়ি উঠলে বিকট শব্দ হতো। এই সমস্যাগুলো এখন আর নেই। চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাচ্ছে।’

সংস্থাটির সহ-সভাপতি মনছুর আলম বলেন, ‘এখনও দীঘিনালা সড়কে, মহালছড়ি-রাঙামাটি সড়কে বেইলি ব্রিজ আছে। এইগুলো আমাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অতি দ্রুত পাকা  নির্মাণ করে দিলে চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাতে পারবে।’
     
খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, ‘জেলায় একসময় অনেকগুলো বেইলি ব্রিজ ছিল। জেলার বিভিন্ন সড়কে পিসিঘাট সেতুু ও আরসিসি বক্স কালভার্ট  নির্মাণ প্রকল্প কাজ করা হয়েছে। এখানে প্রায় ৫৬টি বেইলি ব্রিজের পরিবর্তে আরসিসি আর পিসিঘাটার সেতু হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার ফলে জেলার পরিবহন ব্যবস্থা আমুল পরিবর্তন হয়েছে। স্থানীয় জনগণ এর সুফল পাচ্ছে।’ 

এইচই/এজে

 

খোলা আকাশের নিচে এক পাহাড় ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে আরেক পাহাড়। নীল আকাশ আর গাছগাছালির সবুজে মনোমুগ্ধকর অপরূপ দৃশ্য। দুই পাশে পাহাড়। মাঝখানে কখনো আঁকাবাঁকা, কখনো উঁচু-নিচু সড়ক বয়ে গেছে অন্য সড়কের কোল ঘেঁষে। তৈরি হয়েছে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যাওয়ার সংযোগ। লোকজন দ্রুত চলাচল করতে পারবে। ছয় বছর আগে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি সড়কে কিছু দূর পর পর নদী ও ছড়ার ওপর বেইলি ব্রিজ দেখা গেলেও এখন আর সেই ব্র্রিজগুলো চোখে পড়ে না। 

জেলায় বেইলি ব্রিজগুলো নির্মাণ করা হয় ৮০-র দশকে। একসময় ছড়া ও নদীর ওপর এ ব্র্রিজগুলো ভেঙে পড়তো। প্রায় দুর্ঘটনা ঘটতো। দুর্ঘটনার কারণে অনেকবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার ঘটনাও ঘটেছে। চালক ও যাত্রীরা ভয়ে থাকতো। 

khagrachori

প্রায় ত্রিশ বছর ব্যবহারের পর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলো ভেঙে ছড়া ও নদীর ওপর নতুন সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয় খাগড়াছড়ি জেলা সড়ক বিভাগ। ২০১৫ সালে শুরু করে ২০২১ সালে এসব নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। 

৫৬টি সেতু নির্মাণের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। বদলে যাচ্ছে খাগড়াছড়ি জেলার উন্নয়ন। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে সময় কম লাগছে। যাতায়াতে আরামদায়ক হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে অগ্রগতি হয়েছে। 

চাঁদের গাড়িচালক সুমন নাথ বলেন, ‘নতুন নতুন পাকা সেতু তৈরি হওয়ায় আমরা ভীষণ উপকৃত হয়েছি। ভালো করে যানবাহন চালাতে পারছি।’ 

khagrachori
  
ট্রাকচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ পাকা সেতু তৈরি করে দেওয়াতে আমরা নিরাপদে গাড়ি চালাচ্ছি। দুই-একটি বেইলি ব্র্রিজ আছে দুর্বল। এগুলো ভেঙে পাকা ব্রিজ নির্মাণ করে দিলে পাহাড়ি সড়কে সকল চালক নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারবে।’ 

জেলার সড়ক পরিবহন চালক সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মকর্তা মো. মমিনুল হক বলেন, ‘গত দুই-এক বছর আগেও বেইলি ব্রিজের ওপর দিয়ে গাড়ি পার হতে ভয় লাগতো চালকদের। ব্রিজে গাড়ি উঠলে বিকট শব্দ হতো। এই সমস্যাগুলো এখন আর নেই। চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাচ্ছে।’

সংস্থাটির সহ-সভাপতি মনছুর আলম বলেন, ‘এখনও দীঘিনালা সড়কে, মহালছড়ি-রাঙামাটি সড়কে বেইলি ব্রিজ আছে। এইগুলো আমাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অতি দ্রুত পাকা  নির্মাণ করে দিলে চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাতে পারবে।’
     
খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, ‘জেলায় একসময় অনেকগুলো বেইলি ব্রিজ ছিল। জেলার বিভিন্ন সড়কে পিসিঘাট সেতুু ও আরসিসি বক্স কালভার্ট  নির্মাণ প্রকল্প কাজ করা হয়েছে। এখানে প্রায় ৫৬টি বেইলি ব্রিজের পরিবর্তে আরসিসি আর পিসিঘাটার সেতু হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার ফলে জেলার পরিবহন ব্যবস্থা আমুল পরিবর্তন হয়েছে। স্থানীয় জনগণ এর সুফল পাচ্ছে।’ 

এইচই/এজে

 

খোলা আকাশের নিচে এক পাহাড় ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে আরেক পাহাড়। নীল আকাশ আর গাছগাছালির সবুজে মনোমুগ্ধকর অপরূপ দৃশ্য। দুই পাশে পাহাড়। মাঝখানে কখনো আঁকাবাঁকা, কখনো উঁচু-নিচু সড়ক বয়ে গেছে অন্য সড়কের কোল ঘেঁষে। তৈরি হয়েছে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যাওয়ার সংযোগ। লোকজন দ্রুত চলাচল করতে পারবে। ছয় বছর আগে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি সড়কে কিছু দূর পর পর নদী ও ছড়ার ওপর বেইলি ব্রিজ দেখা গেলেও এখন আর সেই ব্র্রিজগুলো চোখে পড়ে না। 

জেলায় বেইলি ব্রিজগুলো নির্মাণ করা হয় ৮০-র দশকে। একসময় ছড়া ও নদীর ওপর এ ব্র্রিজগুলো ভেঙে পড়তো। প্রায় দুর্ঘটনা ঘটতো। দুর্ঘটনার কারণে অনেকবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার ঘটনাও ঘটেছে। চালক ও যাত্রীরা ভয়ে থাকতো। 

khagrachori

প্রায় ত্রিশ বছর ব্যবহারের পর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলো ভেঙে ছড়া ও নদীর ওপর নতুন সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয় খাগড়াছড়ি জেলা সড়ক বিভাগ। ২০১৫ সালে শুরু করে ২০২১ সালে এসব নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। 

৫৬টি সেতু নির্মাণের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। বদলে যাচ্ছে খাগড়াছড়ি জেলার উন্নয়ন। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে সময় কম লাগছে। যাতায়াতে আরামদায়ক হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে অগ্রগতি হয়েছে। 

চাঁদের গাড়িচালক সুমন নাথ বলেন, ‘নতুন নতুন পাকা সেতু তৈরি হওয়ায় আমরা ভীষণ উপকৃত হয়েছি। ভালো করে যানবাহন চালাতে পারছি।’ 

khagrachori
  
ট্রাকচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ পাকা সেতু তৈরি করে দেওয়াতে আমরা নিরাপদে গাড়ি চালাচ্ছি। দুই-একটি বেইলি ব্র্রিজ আছে দুর্বল। এগুলো ভেঙে পাকা ব্রিজ নির্মাণ করে দিলে পাহাড়ি সড়কে সকল চালক নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারবে।’ 

জেলার সড়ক পরিবহন চালক সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মকর্তা মো. মমিনুল হক বলেন, ‘গত দুই-এক বছর আগেও বেইলি ব্রিজের ওপর দিয়ে গাড়ি পার হতে ভয় লাগতো চালকদের। ব্রিজে গাড়ি উঠলে বিকট শব্দ হতো। এই সমস্যাগুলো এখন আর নেই। চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাচ্ছে।’

সংস্থাটির সহ-সভাপতি মনছুর আলম বলেন, ‘এখনও দীঘিনালা সড়কে, মহালছড়ি-রাঙামাটি সড়কে বেইলি ব্রিজ আছে। এইগুলো আমাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অতি দ্রুত পাকা  নির্মাণ করে দিলে চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাতে পারবে।’
     
খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, ‘জেলায় একসময় অনেকগুলো বেইলি ব্রিজ ছিল। জেলার বিভিন্ন সড়কে পিসিঘাট সেতুু ও আরসিসি বক্স কালভার্ট  নির্মাণ প্রকল্প কাজ করা হয়েছে। এখানে প্রায় ৫৬টি বেইলি ব্রিজের পরিবর্তে আরসিসি আর পিসিঘাটার সেতু হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার ফলে জেলার পরিবহন ব্যবস্থা আমুল পরিবর্তন হয়েছে। স্থানীয় জনগণ এর সুফল পাচ্ছে।’ 

এইচই/এজে

 

খোলা আকাশের নিচে এক পাহাড় ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে আরেক পাহাড়। নীল আকাশ আর গাছগাছালির সবুজে মনোমুগ্ধকর অপরূপ দৃশ্য। দুই পাশে পাহাড়। মাঝখানে কখনো আঁকাবাঁকা, কখনো উঁচু-নিচু সড়ক বয়ে গেছে অন্য সড়কের কোল ঘেঁষে। তৈরি হয়েছে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যাওয়ার সংযোগ। লোকজন দ্রুত চলাচল করতে পারবে। ছয় বছর আগে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি সড়কে কিছু দূর পর পর নদী ও ছড়ার ওপর বেইলি ব্রিজ দেখা গেলেও এখন আর সেই ব্র্রিজগুলো চোখে পড়ে না। 

জেলায় বেইলি ব্রিজগুলো নির্মাণ করা হয় ৮০-র দশকে। একসময় ছড়া ও নদীর ওপর এ ব্র্রিজগুলো ভেঙে পড়তো। প্রায় দুর্ঘটনা ঘটতো। দুর্ঘটনার কারণে অনেকবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার ঘটনাও ঘটেছে। চালক ও যাত্রীরা ভয়ে থাকতো। 

khagrachori

প্রায় ত্রিশ বছর ব্যবহারের পর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলো ভেঙে ছড়া ও নদীর ওপর নতুন সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয় খাগড়াছড়ি জেলা সড়ক বিভাগ। ২০১৫ সালে শুরু করে ২০২১ সালে এসব নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। 

৫৬টি সেতু নির্মাণের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। বদলে যাচ্ছে খাগড়াছড়ি জেলার উন্নয়ন। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে সময় কম লাগছে। যাতায়াতে আরামদায়ক হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে অগ্রগতি হয়েছে। 

চাঁদের গাড়িচালক সুমন নাথ বলেন, ‘নতুন নতুন পাকা সেতু তৈরি হওয়ায় আমরা ভীষণ উপকৃত হয়েছি। ভালো করে যানবাহন চালাতে পারছি।’ 

khagrachori
  
ট্রাকচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ পাকা সেতু তৈরি করে দেওয়াতে আমরা নিরাপদে গাড়ি চালাচ্ছি। দুই-একটি বেইলি ব্র্রিজ আছে দুর্বল। এগুলো ভেঙে পাকা ব্রিজ নির্মাণ করে দিলে পাহাড়ি সড়কে সকল চালক নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারবে।’ 

জেলার সড়ক পরিবহন চালক সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মকর্তা মো. মমিনুল হক বলেন, ‘গত দুই-এক বছর আগেও বেইলি ব্রিজের ওপর দিয়ে গাড়ি পার হতে ভয় লাগতো চালকদের। ব্রিজে গাড়ি উঠলে বিকট শব্দ হতো। এই সমস্যাগুলো এখন আর নেই। চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাচ্ছে।’

সংস্থাটির সহ-সভাপতি মনছুর আলম বলেন, ‘এখনও দীঘিনালা সড়কে, মহালছড়ি-রাঙামাটি সড়কে বেইলি ব্রিজ আছে। এইগুলো আমাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অতি দ্রুত পাকা  নির্মাণ করে দিলে চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাতে পারবে।’
     
খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, ‘জেলায় একসময় অনেকগুলো বেইলি ব্রিজ ছিল। জেলার বিভিন্ন সড়কে পিসিঘাট সেতুু ও আরসিসি বক্স কালভার্ট  নির্মাণ প্রকল্প কাজ করা হয়েছে। এখানে প্রায় ৫৬টি বেইলি ব্রিজের পরিবর্তে আরসিসি আর পিসিঘাটার সেতু হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার ফলে জেলার পরিবহন ব্যবস্থা আমুল পরিবর্তন হয়েছে। স্থানীয় জনগণ এর সুফল পাচ্ছে।’ 

এইচই/এজে

 

খোলা আকাশের নিচে এক পাহাড় ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে আরেক পাহাড়। নীল আকাশ আর গাছগাছালির সবুজে মনোমুগ্ধকর অপরূপ দৃশ্য। দুই পাশে পাহাড়। মাঝখানে কখনো আঁকাবাঁকা, কখনো উঁচু-নিচু সড়ক বয়ে গেছে অন্য সড়কের কোল ঘেঁষে। তৈরি হয়েছে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যাওয়ার সংযোগ। লোকজন দ্রুত চলাচল করতে পারবে। ছয় বছর আগে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি সড়কে কিছু দূর পর পর নদী ও ছড়ার ওপর বেইলি ব্রিজ দেখা গেলেও এখন আর সেই ব্র্রিজগুলো চোখে পড়ে না। 

জেলায় বেইলি ব্রিজগুলো নির্মাণ করা হয় ৮০-র দশকে। একসময় ছড়া ও নদীর ওপর এ ব্র্রিজগুলো ভেঙে পড়তো। প্রায় দুর্ঘটনা ঘটতো। দুর্ঘটনার কারণে অনেকবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার ঘটনাও ঘটেছে। চালক ও যাত্রীরা ভয়ে থাকতো। 

khagrachori

প্রায় ত্রিশ বছর ব্যবহারের পর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলো ভেঙে ছড়া ও নদীর ওপর নতুন সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয় খাগড়াছড়ি জেলা সড়ক বিভাগ। ২০১৫ সালে শুরু করে ২০২১ সালে এসব নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। 

৫৬টি সেতু নির্মাণের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। বদলে যাচ্ছে খাগড়াছড়ি জেলার উন্নয়ন। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে সময় কম লাগছে। যাতায়াতে আরামদায়ক হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে অগ্রগতি হয়েছে। 

চাঁদের গাড়িচালক সুমন নাথ বলেন, ‘নতুন নতুন পাকা সেতু তৈরি হওয়ায় আমরা ভীষণ উপকৃত হয়েছি। ভালো করে যানবাহন চালাতে পারছি।’ 

khagrachori
  
ট্রাকচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ পাকা সেতু তৈরি করে দেওয়াতে আমরা নিরাপদে গাড়ি চালাচ্ছি। দুই-একটি বেইলি ব্র্রিজ আছে দুর্বল। এগুলো ভেঙে পাকা ব্রিজ নির্মাণ করে দিলে পাহাড়ি সড়কে সকল চালক নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারবে।’ 

জেলার সড়ক পরিবহন চালক সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মকর্তা মো. মমিনুল হক বলেন, ‘গত দুই-এক বছর আগেও বেইলি ব্রিজের ওপর দিয়ে গাড়ি পার হতে ভয় লাগতো চালকদের। ব্রিজে গাড়ি উঠলে বিকট শব্দ হতো। এই সমস্যাগুলো এখন আর নেই। চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাচ্ছে।’

সংস্থাটির সহ-সভাপতি মনছুর আলম বলেন, ‘এখনও দীঘিনালা সড়কে, মহালছড়ি-রাঙামাটি সড়কে বেইলি ব্রিজ আছে। এইগুলো আমাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অতি দ্রুত পাকা  নির্মাণ করে দিলে চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাতে পারবে।’
     
খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, ‘জেলায় একসময় অনেকগুলো বেইলি ব্রিজ ছিল। জেলার বিভিন্ন সড়কে পিসিঘাট সেতুু ও আরসিসি বক্স কালভার্ট  নির্মাণ প্রকল্প কাজ করা হয়েছে। এখানে প্রায় ৫৬টি বেইলি ব্রিজের পরিবর্তে আরসিসি আর পিসিঘাটার সেতু হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার ফলে জেলার পরিবহন ব্যবস্থা আমুল পরিবর্তন হয়েছে। স্থানীয় জনগণ এর সুফল পাচ্ছে।’ 

এইচই/এজে

 

খোলা আকাশের নিচে এক পাহাড় ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে আরেক পাহাড়। নীল আকাশ আর গাছগাছালির সবুজে মনোমুগ্ধকর অপরূপ দৃশ্য। দুই পাশে পাহাড়। মাঝখানে কখনো আঁকাবাঁকা, কখনো উঁচু-নিচু সড়ক বয়ে গেছে অন্য সড়কের কোল ঘেঁষে। তৈরি হয়েছে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যাওয়ার সংযোগ। লোকজন দ্রুত চলাচল করতে পারবে। ছয় বছর আগে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি সড়কে কিছু দূর পর পর নদী ও ছড়ার ওপর বেইলি ব্রিজ দেখা গেলেও এখন আর সেই ব্র্রিজগুলো চোখে পড়ে না। 

জেলায় বেইলি ব্রিজগুলো নির্মাণ করা হয় ৮০-র দশকে। একসময় ছড়া ও নদীর ওপর এ ব্র্রিজগুলো ভেঙে পড়তো। প্রায় দুর্ঘটনা ঘটতো। দুর্ঘটনার কারণে অনেকবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার ঘটনাও ঘটেছে। চালক ও যাত্রীরা ভয়ে থাকতো। 

khagrachori

প্রায় ত্রিশ বছর ব্যবহারের পর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলো ভেঙে ছড়া ও নদীর ওপর নতুন সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয় খাগড়াছড়ি জেলা সড়ক বিভাগ। ২০১৫ সালে শুরু করে ২০২১ সালে এসব নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। 

৫৬টি সেতু নির্মাণের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। বদলে যাচ্ছে খাগড়াছড়ি জেলার উন্নয়ন। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে সময় কম লাগছে। যাতায়াতে আরামদায়ক হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে অগ্রগতি হয়েছে। 

চাঁদের গাড়িচালক সুমন নাথ বলেন, ‘নতুন নতুন পাকা সেতু তৈরি হওয়ায় আমরা ভীষণ উপকৃত হয়েছি। ভালো করে যানবাহন চালাতে পারছি।’ 

khagrachori
  
ট্রাকচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ পাকা সেতু তৈরি করে দেওয়াতে আমরা নিরাপদে গাড়ি চালাচ্ছি। দুই-একটি বেইলি ব্র্রিজ আছে দুর্বল। এগুলো ভেঙে পাকা ব্রিজ নির্মাণ করে দিলে পাহাড়ি সড়কে সকল চালক নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারবে।’ 

জেলার সড়ক পরিবহন চালক সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মকর্তা মো. মমিনুল হক বলেন, ‘গত দুই-এক বছর আগেও বেইলি ব্রিজের ওপর দিয়ে গাড়ি পার হতে ভয় লাগতো চালকদের। ব্রিজে গাড়ি উঠলে বিকট শব্দ হতো। এই সমস্যাগুলো এখন আর নেই। চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাচ্ছে।’

সংস্থাটির সহ-সভাপতি মনছুর আলম বলেন, ‘এখনও দীঘিনালা সড়কে, মহালছড়ি-রাঙামাটি সড়কে বেইলি ব্রিজ আছে। এইগুলো আমাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অতি দ্রুত পাকা  নির্মাণ করে দিলে চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাতে পারবে।’
     
খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, ‘জেলায় একসময় অনেকগুলো বেইলি ব্রিজ ছিল। জেলার বিভিন্ন সড়কে পিসিঘাট সেতুু ও আরসিসি বক্স কালভার্ট  নির্মাণ প্রকল্প কাজ করা হয়েছে। এখানে প্রায় ৫৬টি বেইলি ব্রিজের পরিবর্তে আরসিসি আর পিসিঘাটার সেতু হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার ফলে জেলার পরিবহন ব্যবস্থা আমুল পরিবর্তন হয়েছে। স্থানীয় জনগণ এর সুফল পাচ্ছে।’ 

এইচই/এজে

 

খোলা আকাশের নিচে এক পাহাড় ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে আরেক পাহাড়। নীল আকাশ আর গাছগাছালির সবুজে মনোমুগ্ধকর অপরূপ দৃশ্য। দুই পাশে পাহাড়। মাঝখানে কখনো আঁকাবাঁকা, কখনো উঁচু-নিচু সড়ক বয়ে গেছে অন্য সড়কের কোল ঘেঁষে। তৈরি হয়েছে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যাওয়ার সংযোগ। লোকজন দ্রুত চলাচল করতে পারবে। ছয় বছর আগে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি সড়কে কিছু দূর পর পর নদী ও ছড়ার ওপর বেইলি ব্রিজ দেখা গেলেও এখন আর সেই ব্র্রিজগুলো চোখে পড়ে না। 

জেলায় বেইলি ব্রিজগুলো নির্মাণ করা হয় ৮০-র দশকে। একসময় ছড়া ও নদীর ওপর এ ব্র্রিজগুলো ভেঙে পড়তো। প্রায় দুর্ঘটনা ঘটতো। দুর্ঘটনার কারণে অনেকবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার ঘটনাও ঘটেছে। চালক ও যাত্রীরা ভয়ে থাকতো। 

khagrachori

প্রায় ত্রিশ বছর ব্যবহারের পর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলো ভেঙে ছড়া ও নদীর ওপর নতুন সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয় খাগড়াছড়ি জেলা সড়ক বিভাগ। ২০১৫ সালে শুরু করে ২০২১ সালে এসব নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। 

৫৬টি সেতু নির্মাণের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। বদলে যাচ্ছে খাগড়াছড়ি জেলার উন্নয়ন। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে সময় কম লাগছে। যাতায়াতে আরামদায়ক হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে অগ্রগতি হয়েছে। 

চাঁদের গাড়িচালক সুমন নাথ বলেন, ‘নতুন নতুন পাকা সেতু তৈরি হওয়ায় আমরা ভীষণ উপকৃত হয়েছি। ভালো করে যানবাহন চালাতে পারছি।’ 

khagrachori
  
ট্রাকচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ পাকা সেতু তৈরি করে দেওয়াতে আমরা নিরাপদে গাড়ি চালাচ্ছি। দুই-একটি বেইলি ব্র্রিজ আছে দুর্বল। এগুলো ভেঙে পাকা ব্রিজ নির্মাণ করে দিলে পাহাড়ি সড়কে সকল চালক নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারবে।’ 

জেলার সড়ক পরিবহন চালক সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মকর্তা মো. মমিনুল হক বলেন, ‘গত দুই-এক বছর আগেও বেইলি ব্রিজের ওপর দিয়ে গাড়ি পার হতে ভয় লাগতো চালকদের। ব্রিজে গাড়ি উঠলে বিকট শব্দ হতো। এই সমস্যাগুলো এখন আর নেই। চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাচ্ছে।’

সংস্থাটির সহ-সভাপতি মনছুর আলম বলেন, ‘এখনও দীঘিনালা সড়কে, মহালছড়ি-রাঙামাটি সড়কে বেইলি ব্রিজ আছে। এইগুলো আমাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অতি দ্রুত পাকা  নির্মাণ করে দিলে চালকরা নির্ভয়ে গাড়ি চালাতে পারবে।’
     
খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, ‘জেলায় একসময় অনেকগুলো বেইলি ব্রিজ ছিল। জেলার বিভিন্ন সড়কে পিসিঘাট সেতুু ও আরসিসি বক্স কালভার্ট  নির্মাণ প্রকল্প কাজ করা হয়েছে। এখানে প্রায় ৫৬টি বেইলি ব্রিজের পরিবর্তে আরসিসি আর পিসিঘাটার সেতু হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার ফলে জেলার পরিবহন ব্যবস্থা আমুল পরিবর্তন হয়েছে। স্থানীয় জনগণ এর সুফল পাচ্ছে।’ 

এইচই/এজে

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর