শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

ঢাকা মেইল

শুক্রবারে কেন সিনেমা মুক্তি পায়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১০:০০ এএম

শেয়ার করুন:

শুক্রবারে কেন সিনেমা মুক্তি পায়
বলাকা সিনেমা হল । ছবি: সংগৃহীত
সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন আর নাইবা করেন—এ কথা জেনে থাকবেন প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার সিনেমা মুক্তি পায়। ঢালিউড থেকে শুরু করে হলিউড কিংবা বলিউড— সবখানে এই দিনটিতে সিনেমা মুক্তি দিয়ে প্রযোজকরা। আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, অন্যান্য দেশে রোববার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও শুক্রবার কেন সিনেমা মুক্তি দেওয়া হয়? হয়ত অনেকের মনের ভেতর এই প্রশ্ন উঁকি দিয়েছে অনেকবার। কিন্তু গ্রহণযোগ্য কোনো উত্তর খুঁজে পাননি। যারা জানেন না চলুন জেনে নেওয়া যাক এর উত্তর। 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার ছুটির দিন। কর্মব্যস্ত সপ্তাহ শেষে এই একটি দিন মানুষ নিজের মতো করে কাটাতে চায়। কেউ বিনোদন পাওয়ার জন্য পার্কে, চিড়িয়াখানায় যায়। আবার কেউ সিনেমা দেখার মাঝে নিজের বিনোদন খুঁজে নেন। দেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, শুক্রবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে পাছন্দ করেন সবাই। আর সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম চলচ্চিত্র। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে সহজেই ছবি দেখতে পারেন যে কোনও ব্যক্তি! আর অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন, দিন হিসেবে শুক্রবার শুভদিন।


বিজ্ঞাপন


Midhumita
মধুমিতা সিনেমা হল । ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সেখানকার মানুষ রোববার সাপ্তাহিক ছুটি উপভোগ করেন। ষাটের দশকে ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পেত। তবে ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট ‘মুঘল-ই-আজম’ সিনেমাটি শুক্রবার মুক্তি পায় এবং ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হয়। এরপর থেকে নিয়ম পরিবর্তিত হয়ে শুক্রবারে সিনেমা মুক্তির রীতি শুরু হয়। 

বিশ্বব্যাপী শুক্রবার সিনেমা মুক্তির পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে হলিউড। হলিউডের সেই ধারা গ্রহণ করেছে বলিউড। পরবর্তীকালে সেই ঢেউ এসে লেগেছে ঢালিউডে। ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য হলিউড শুক্রবারে সিনেমা মুক্তি দেয়। কারণ শুক্রবারের পরের দুইদিন বিদেশের সাপ্তাহিক ছুটির দিন। মানুষের হাতে সময় থাকে, ছবি দেখার মানসিকতা থাকে। ফলে ব্যবসায়িক দিক থেকে তিন দিন পাওয়া যায়।

Monihar
দেশের সবচেয়ে বড় সিনেমা হল মনিহার । ছবি: সংগৃহীত

আগে একটা সময় রেওয়াজ ছিল, যে কোনো সিনেমার বিশেষ করে হলিউডের সিনেমার শুটিং শুরু হবে শুভদিন শুক্রবারে। তারপর সিদ্ধান্ত হয় যে-ই বারটিতে ছবির শুটিং শুরু হয়েছিল ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পাবে।   

আরএসও

সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন আর নাইবা করেন—এ কথা জেনে থাকবেন প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার সিনেমা মুক্তি পায়। ঢালিউড থেকে শুরু করে হলিউড কিংবা বলিউড— সবখানে এই দিনটিতে সিনেমা মুক্তি দিয়ে প্রযোজকরা। আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, অন্যান্য দেশে রোববার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও শুক্রবার কেন সিনেমা মুক্তি দেওয়া হয়? হয়ত অনেকের মনের ভেতর এই প্রশ্ন উঁকি দিয়েছে অনেকবার। কিন্তু গ্রহণযোগ্য কোনো উত্তর খুঁজে পাননি। যারা জানেন না চলুন জেনে নেওয়া যাক এর উত্তর। 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার ছুটির দিন। কর্মব্যস্ত সপ্তাহ শেষে এই একটি দিন মানুষ নিজের মতো করে কাটাতে চায়। কেউ বিনোদন পাওয়ার জন্য পার্কে, চিড়িয়াখানায় যায়। আবার কেউ সিনেমা দেখার মাঝে নিজের বিনোদন খুঁজে নেন। দেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, শুক্রবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে পাছন্দ করেন সবাই। আর সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম চলচ্চিত্র। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে সহজেই ছবি দেখতে পারেন যে কোনও ব্যক্তি! আর অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন, দিন হিসেবে শুক্রবার শুভদিন।

Midhumita
মধুমিতা সিনেমা হল । ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সেখানকার মানুষ রোববার সাপ্তাহিক ছুটি উপভোগ করেন। ষাটের দশকে ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পেত। তবে ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট ‘মুঘল-ই-আজম’ সিনেমাটি শুক্রবার মুক্তি পায় এবং ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হয়। এরপর থেকে নিয়ম পরিবর্তিত হয়ে শুক্রবারে সিনেমা মুক্তির রীতি শুরু হয়। 

বিশ্বব্যাপী শুক্রবার সিনেমা মুক্তির পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে হলিউড। হলিউডের সেই ধারা গ্রহণ করেছে বলিউড। পরবর্তীকালে সেই ঢেউ এসে লেগেছে ঢালিউডে। ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য হলিউড শুক্রবারে সিনেমা মুক্তি দেয়। কারণ শুক্রবারের পরের দুইদিন বিদেশের সাপ্তাহিক ছুটির দিন। মানুষের হাতে সময় থাকে, ছবি দেখার মানসিকতা থাকে। ফলে ব্যবসায়িক দিক থেকে তিন দিন পাওয়া যায়।

Monihar
দেশের সবচেয়ে বড় সিনেমা হল মনিহার । ছবি: সংগৃহীত

আগে একটা সময় রেওয়াজ ছিল, যে কোনো সিনেমার বিশেষ করে হলিউডের সিনেমার শুটিং শুরু হবে শুভদিন শুক্রবারে। তারপর সিদ্ধান্ত হয় যে-ই বারটিতে ছবির শুটিং শুরু হয়েছিল ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পাবে।   

আরএসও

সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন আর নাইবা করেন—এ কথা জেনে থাকবেন প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার সিনেমা মুক্তি পায়। ঢালিউড থেকে শুরু করে হলিউড কিংবা বলিউড— সবখানে এই দিনটিতে সিনেমা মুক্তি দিয়ে প্রযোজকরা। আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, অন্যান্য দেশে রোববার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও শুক্রবার কেন সিনেমা মুক্তি দেওয়া হয়? হয়ত অনেকের মনের ভেতর এই প্রশ্ন উঁকি দিয়েছে অনেকবার। কিন্তু গ্রহণযোগ্য কোনো উত্তর খুঁজে পাননি। যারা জানেন না চলুন জেনে নেওয়া যাক এর উত্তর। 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার ছুটির দিন। কর্মব্যস্ত সপ্তাহ শেষে এই একটি দিন মানুষ নিজের মতো করে কাটাতে চায়। কেউ বিনোদন পাওয়ার জন্য পার্কে, চিড়িয়াখানায় যায়। আবার কেউ সিনেমা দেখার মাঝে নিজের বিনোদন খুঁজে নেন। দেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, শুক্রবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে পাছন্দ করেন সবাই। আর সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম চলচ্চিত্র। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে সহজেই ছবি দেখতে পারেন যে কোনও ব্যক্তি! আর অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন, দিন হিসেবে শুক্রবার শুভদিন।

Midhumita
মধুমিতা সিনেমা হল । ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সেখানকার মানুষ রোববার সাপ্তাহিক ছুটি উপভোগ করেন। ষাটের দশকে ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পেত। তবে ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট ‘মুঘল-ই-আজম’ সিনেমাটি শুক্রবার মুক্তি পায় এবং ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হয়। এরপর থেকে নিয়ম পরিবর্তিত হয়ে শুক্রবারে সিনেমা মুক্তির রীতি শুরু হয়। 

বিশ্বব্যাপী শুক্রবার সিনেমা মুক্তির পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে হলিউড। হলিউডের সেই ধারা গ্রহণ করেছে বলিউড। পরবর্তীকালে সেই ঢেউ এসে লেগেছে ঢালিউডে। ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য হলিউড শুক্রবারে সিনেমা মুক্তি দেয়। কারণ শুক্রবারের পরের দুইদিন বিদেশের সাপ্তাহিক ছুটির দিন। মানুষের হাতে সময় থাকে, ছবি দেখার মানসিকতা থাকে। ফলে ব্যবসায়িক দিক থেকে তিন দিন পাওয়া যায়।

Monihar
দেশের সবচেয়ে বড় সিনেমা হল মনিহার । ছবি: সংগৃহীত

আগে একটা সময় রেওয়াজ ছিল, যে কোনো সিনেমার বিশেষ করে হলিউডের সিনেমার শুটিং শুরু হবে শুভদিন শুক্রবারে। তারপর সিদ্ধান্ত হয় যে-ই বারটিতে ছবির শুটিং শুরু হয়েছিল ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পাবে।   

আরএসও

সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন আর নাইবা করেন—এ কথা জেনে থাকবেন প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার সিনেমা মুক্তি পায়। ঢালিউড থেকে শুরু করে হলিউড কিংবা বলিউড— সবখানে এই দিনটিতে সিনেমা মুক্তি দিয়ে প্রযোজকরা। আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, অন্যান্য দেশে রোববার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও শুক্রবার কেন সিনেমা মুক্তি দেওয়া হয়? হয়ত অনেকের মনের ভেতর এই প্রশ্ন উঁকি দিয়েছে অনেকবার। কিন্তু গ্রহণযোগ্য কোনো উত্তর খুঁজে পাননি। যারা জানেন না চলুন জেনে নেওয়া যাক এর উত্তর। 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার ছুটির দিন। কর্মব্যস্ত সপ্তাহ শেষে এই একটি দিন মানুষ নিজের মতো করে কাটাতে চায়। কেউ বিনোদন পাওয়ার জন্য পার্কে, চিড়িয়াখানায় যায়। আবার কেউ সিনেমা দেখার মাঝে নিজের বিনোদন খুঁজে নেন। দেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, শুক্রবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে পাছন্দ করেন সবাই। আর সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম চলচ্চিত্র। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে সহজেই ছবি দেখতে পারেন যে কোনও ব্যক্তি! আর অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন, দিন হিসেবে শুক্রবার শুভদিন।

Midhumita
মধুমিতা সিনেমা হল । ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সেখানকার মানুষ রোববার সাপ্তাহিক ছুটি উপভোগ করেন। ষাটের দশকে ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পেত। তবে ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট ‘মুঘল-ই-আজম’ সিনেমাটি শুক্রবার মুক্তি পায় এবং ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হয়। এরপর থেকে নিয়ম পরিবর্তিত হয়ে শুক্রবারে সিনেমা মুক্তির রীতি শুরু হয়। 

বিশ্বব্যাপী শুক্রবার সিনেমা মুক্তির পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে হলিউড। হলিউডের সেই ধারা গ্রহণ করেছে বলিউড। পরবর্তীকালে সেই ঢেউ এসে লেগেছে ঢালিউডে। ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য হলিউড শুক্রবারে সিনেমা মুক্তি দেয়। কারণ শুক্রবারের পরের দুইদিন বিদেশের সাপ্তাহিক ছুটির দিন। মানুষের হাতে সময় থাকে, ছবি দেখার মানসিকতা থাকে। ফলে ব্যবসায়িক দিক থেকে তিন দিন পাওয়া যায়।

Monihar
দেশের সবচেয়ে বড় সিনেমা হল মনিহার । ছবি: সংগৃহীত

আগে একটা সময় রেওয়াজ ছিল, যে কোনো সিনেমার বিশেষ করে হলিউডের সিনেমার শুটিং শুরু হবে শুভদিন শুক্রবারে। তারপর সিদ্ধান্ত হয় যে-ই বারটিতে ছবির শুটিং শুরু হয়েছিল ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পাবে।   

আরএসও

সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন আর নাইবা করেন—এ কথা জেনে থাকবেন প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার সিনেমা মুক্তি পায়। ঢালিউড থেকে শুরু করে হলিউড কিংবা বলিউড— সবখানে এই দিনটিতে সিনেমা মুক্তি দিয়ে প্রযোজকরা। আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, অন্যান্য দেশে রোববার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও শুক্রবার কেন সিনেমা মুক্তি দেওয়া হয়? হয়ত অনেকের মনের ভেতর এই প্রশ্ন উঁকি দিয়েছে অনেকবার। কিন্তু গ্রহণযোগ্য কোনো উত্তর খুঁজে পাননি। যারা জানেন না চলুন জেনে নেওয়া যাক এর উত্তর। 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার ছুটির দিন। কর্মব্যস্ত সপ্তাহ শেষে এই একটি দিন মানুষ নিজের মতো করে কাটাতে চায়। কেউ বিনোদন পাওয়ার জন্য পার্কে, চিড়িয়াখানায় যায়। আবার কেউ সিনেমা দেখার মাঝে নিজের বিনোদন খুঁজে নেন। দেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, শুক্রবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে পাছন্দ করেন সবাই। আর সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম চলচ্চিত্র। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে সহজেই ছবি দেখতে পারেন যে কোনও ব্যক্তি! আর অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন, দিন হিসেবে শুক্রবার শুভদিন।

Midhumita
মধুমিতা সিনেমা হল । ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সেখানকার মানুষ রোববার সাপ্তাহিক ছুটি উপভোগ করেন। ষাটের দশকে ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পেত। তবে ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট ‘মুঘল-ই-আজম’ সিনেমাটি শুক্রবার মুক্তি পায় এবং ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হয়। এরপর থেকে নিয়ম পরিবর্তিত হয়ে শুক্রবারে সিনেমা মুক্তির রীতি শুরু হয়। 

বিশ্বব্যাপী শুক্রবার সিনেমা মুক্তির পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে হলিউড। হলিউডের সেই ধারা গ্রহণ করেছে বলিউড। পরবর্তীকালে সেই ঢেউ এসে লেগেছে ঢালিউডে। ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য হলিউড শুক্রবারে সিনেমা মুক্তি দেয়। কারণ শুক্রবারের পরের দুইদিন বিদেশের সাপ্তাহিক ছুটির দিন। মানুষের হাতে সময় থাকে, ছবি দেখার মানসিকতা থাকে। ফলে ব্যবসায়িক দিক থেকে তিন দিন পাওয়া যায়।

Monihar
দেশের সবচেয়ে বড় সিনেমা হল মনিহার । ছবি: সংগৃহীত

আগে একটা সময় রেওয়াজ ছিল, যে কোনো সিনেমার বিশেষ করে হলিউডের সিনেমার শুটিং শুরু হবে শুভদিন শুক্রবারে। তারপর সিদ্ধান্ত হয় যে-ই বারটিতে ছবির শুটিং শুরু হয়েছিল ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পাবে।   

আরএসও

সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন আর নাইবা করেন—এ কথা জেনে থাকবেন প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার সিনেমা মুক্তি পায়। ঢালিউড থেকে শুরু করে হলিউড কিংবা বলিউড— সবখানে এই দিনটিতে সিনেমা মুক্তি দিয়ে প্রযোজকরা। আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, অন্যান্য দেশে রোববার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও শুক্রবার কেন সিনেমা মুক্তি দেওয়া হয়? হয়ত অনেকের মনের ভেতর এই প্রশ্ন উঁকি দিয়েছে অনেকবার। কিন্তু গ্রহণযোগ্য কোনো উত্তর খুঁজে পাননি। যারা জানেন না চলুন জেনে নেওয়া যাক এর উত্তর। 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার ছুটির দিন। কর্মব্যস্ত সপ্তাহ শেষে এই একটি দিন মানুষ নিজের মতো করে কাটাতে চায়। কেউ বিনোদন পাওয়ার জন্য পার্কে, চিড়িয়াখানায় যায়। আবার কেউ সিনেমা দেখার মাঝে নিজের বিনোদন খুঁজে নেন। দেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, শুক্রবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে পাছন্দ করেন সবাই। আর সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম চলচ্চিত্র। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে সহজেই ছবি দেখতে পারেন যে কোনও ব্যক্তি! আর অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন, দিন হিসেবে শুক্রবার শুভদিন।

Midhumita
মধুমিতা সিনেমা হল । ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সেখানকার মানুষ রোববার সাপ্তাহিক ছুটি উপভোগ করেন। ষাটের দশকে ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পেত। তবে ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট ‘মুঘল-ই-আজম’ সিনেমাটি শুক্রবার মুক্তি পায় এবং ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হয়। এরপর থেকে নিয়ম পরিবর্তিত হয়ে শুক্রবারে সিনেমা মুক্তির রীতি শুরু হয়। 

বিশ্বব্যাপী শুক্রবার সিনেমা মুক্তির পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে হলিউড। হলিউডের সেই ধারা গ্রহণ করেছে বলিউড। পরবর্তীকালে সেই ঢেউ এসে লেগেছে ঢালিউডে। ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য হলিউড শুক্রবারে সিনেমা মুক্তি দেয়। কারণ শুক্রবারের পরের দুইদিন বিদেশের সাপ্তাহিক ছুটির দিন। মানুষের হাতে সময় থাকে, ছবি দেখার মানসিকতা থাকে। ফলে ব্যবসায়িক দিক থেকে তিন দিন পাওয়া যায়।

Monihar
দেশের সবচেয়ে বড় সিনেমা হল মনিহার । ছবি: সংগৃহীত

আগে একটা সময় রেওয়াজ ছিল, যে কোনো সিনেমার বিশেষ করে হলিউডের সিনেমার শুটিং শুরু হবে শুভদিন শুক্রবারে। তারপর সিদ্ধান্ত হয় যে-ই বারটিতে ছবির শুটিং শুরু হয়েছিল ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পাবে।   

আরএসও

সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন আর নাইবা করেন—এ কথা জেনে থাকবেন প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার সিনেমা মুক্তি পায়। ঢালিউড থেকে শুরু করে হলিউড কিংবা বলিউড— সবখানে এই দিনটিতে সিনেমা মুক্তি দিয়ে প্রযোজকরা। আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, অন্যান্য দেশে রোববার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও শুক্রবার কেন সিনেমা মুক্তি দেওয়া হয়? হয়ত অনেকের মনের ভেতর এই প্রশ্ন উঁকি দিয়েছে অনেকবার। কিন্তু গ্রহণযোগ্য কোনো উত্তর খুঁজে পাননি। যারা জানেন না চলুন জেনে নেওয়া যাক এর উত্তর। 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার ছুটির দিন। কর্মব্যস্ত সপ্তাহ শেষে এই একটি দিন মানুষ নিজের মতো করে কাটাতে চায়। কেউ বিনোদন পাওয়ার জন্য পার্কে, চিড়িয়াখানায় যায়। আবার কেউ সিনেমা দেখার মাঝে নিজের বিনোদন খুঁজে নেন। দেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, শুক্রবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে পাছন্দ করেন সবাই। আর সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম চলচ্চিত্র। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে সহজেই ছবি দেখতে পারেন যে কোনও ব্যক্তি! আর অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন, দিন হিসেবে শুক্রবার শুভদিন।

Midhumita
মধুমিতা সিনেমা হল । ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সেখানকার মানুষ রোববার সাপ্তাহিক ছুটি উপভোগ করেন। ষাটের দশকে ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পেত। তবে ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট ‘মুঘল-ই-আজম’ সিনেমাটি শুক্রবার মুক্তি পায় এবং ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হয়। এরপর থেকে নিয়ম পরিবর্তিত হয়ে শুক্রবারে সিনেমা মুক্তির রীতি শুরু হয়। 

বিশ্বব্যাপী শুক্রবার সিনেমা মুক্তির পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে হলিউড। হলিউডের সেই ধারা গ্রহণ করেছে বলিউড। পরবর্তীকালে সেই ঢেউ এসে লেগেছে ঢালিউডে। ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য হলিউড শুক্রবারে সিনেমা মুক্তি দেয়। কারণ শুক্রবারের পরের দুইদিন বিদেশের সাপ্তাহিক ছুটির দিন। মানুষের হাতে সময় থাকে, ছবি দেখার মানসিকতা থাকে। ফলে ব্যবসায়িক দিক থেকে তিন দিন পাওয়া যায়।

Monihar
দেশের সবচেয়ে বড় সিনেমা হল মনিহার । ছবি: সংগৃহীত

আগে একটা সময় রেওয়াজ ছিল, যে কোনো সিনেমার বিশেষ করে হলিউডের সিনেমার শুটিং শুরু হবে শুভদিন শুক্রবারে। তারপর সিদ্ধান্ত হয় যে-ই বারটিতে ছবির শুটিং শুরু হয়েছিল ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পাবে।   

আরএসও

সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন আর নাইবা করেন—এ কথা জেনে থাকবেন প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার সিনেমা মুক্তি পায়। ঢালিউড থেকে শুরু করে হলিউড কিংবা বলিউড— সবখানে এই দিনটিতে সিনেমা মুক্তি দিয়ে প্রযোজকরা। আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, অন্যান্য দেশে রোববার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও শুক্রবার কেন সিনেমা মুক্তি দেওয়া হয়? হয়ত অনেকের মনের ভেতর এই প্রশ্ন উঁকি দিয়েছে অনেকবার। কিন্তু গ্রহণযোগ্য কোনো উত্তর খুঁজে পাননি। যারা জানেন না চলুন জেনে নেওয়া যাক এর উত্তর। 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার ছুটির দিন। কর্মব্যস্ত সপ্তাহ শেষে এই একটি দিন মানুষ নিজের মতো করে কাটাতে চায়। কেউ বিনোদন পাওয়ার জন্য পার্কে, চিড়িয়াখানায় যায়। আবার কেউ সিনেমা দেখার মাঝে নিজের বিনোদন খুঁজে নেন। দেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, শুক্রবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে পাছন্দ করেন সবাই। আর সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম চলচ্চিত্র। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে সহজেই ছবি দেখতে পারেন যে কোনও ব্যক্তি! আর অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন, দিন হিসেবে শুক্রবার শুভদিন।

Midhumita
মধুমিতা সিনেমা হল । ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সেখানকার মানুষ রোববার সাপ্তাহিক ছুটি উপভোগ করেন। ষাটের দশকে ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পেত। তবে ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট ‘মুঘল-ই-আজম’ সিনেমাটি শুক্রবার মুক্তি পায় এবং ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হয়। এরপর থেকে নিয়ম পরিবর্তিত হয়ে শুক্রবারে সিনেমা মুক্তির রীতি শুরু হয়। 

বিশ্বব্যাপী শুক্রবার সিনেমা মুক্তির পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে হলিউড। হলিউডের সেই ধারা গ্রহণ করেছে বলিউড। পরবর্তীকালে সেই ঢেউ এসে লেগেছে ঢালিউডে। ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য হলিউড শুক্রবারে সিনেমা মুক্তি দেয়। কারণ শুক্রবারের পরের দুইদিন বিদেশের সাপ্তাহিক ছুটির দিন। মানুষের হাতে সময় থাকে, ছবি দেখার মানসিকতা থাকে। ফলে ব্যবসায়িক দিক থেকে তিন দিন পাওয়া যায়।

Monihar
দেশের সবচেয়ে বড় সিনেমা হল মনিহার । ছবি: সংগৃহীত

আগে একটা সময় রেওয়াজ ছিল, যে কোনো সিনেমার বিশেষ করে হলিউডের সিনেমার শুটিং শুরু হবে শুভদিন শুক্রবারে। তারপর সিদ্ধান্ত হয় যে-ই বারটিতে ছবির শুটিং শুরু হয়েছিল ওই দিনটিতেই সিনেমা মুক্তি পাবে।   

আরএসও

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর